Defence job tips

বাংলাদেশ VS ভারতের আর্মির ট্রেনিং! কে বেশি শক্তিশালী ?

বাংলাদেশ VS ভারতের আর্মির ট্রেনিং! কে বেশি শক্তিশালী ?
হ্যালো বন্ধুরা
আজকের এই post a আমরা আপনাদের দেখাব বাংলাদেশ কমান্ডো আর্মিদের কিভাবে ট্রেনিং দেওয়া হয় এবং ভারতীয় কম্যান্ডো আর্মিদের কিভাবে ট্রেনিং দেওয়া হয় আপনি জানলে অবাক হবেন যে বাংলাদেশ কমান্ডোদের ভারতীয় কমান্ডোদের চেয়ে বেশি উন্নত ট্রেনিং দেওয়া হয় এবং বাংলাদেশ আর্মিরা ভারতের আর্মিদের তুলনায় বেশি শক্তিশালী হয়ে থাকে আপনি হয়তো এবার ভাবতে পারেন আমি বাংলাদেশি বলে হয়তো বাংলাদেশ সম্পর্কে বেশি বেশি বলছি আসলে তা নয় আপনি যদি জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনের দিকে খেয়াল করেন তাহলে দেখবেন বাংলাদেশি সৈনিকরা ভারতের তুলনায় অনেক এগিয়ে আছে একটি সামরিক সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে বাংলাদেশি সৈনিকরা ভারতের সৈনিক এর তুলনায় বেশি সাহসী হয়ে থাকে বাংলাদেশী শ্রমিকরা যুদ্ধক্ষেত্রে মৃত্যুকে ভয় করে না অপরদিকে ভারতীয় সৈনিকরা মাসিক বেতনের জন্য চাকরি করে থাকে তাদের দেশপ্রেম নেই বললেই চলে তো বন্ধুরা চলুন প্রথমে দেখে নেওয়া যাক ভারতীয় প্যারা-কমান্ডো সৈনিকদের কিভাবে ট্রেনিং দেওয়া হয়ে থাকে ভারতীয় প্যারা-কমান্ডো দের অনেক স্পেশাল ট্রেনিং দেওয়া হয় এবং খুবই কম সৈনিকরাই এরকম হতে চান্স পায় এবং যারা চান্স পায়
বাংলাদেশ VS ভারতের আর্মির ট্রেনিং! কে বেশি শক্তিশালী ?
বাংলাদেশ VS ভারতের আর্মির ট্রেনিং! কে বেশি শক্তিশালী ?
তাদেরকে প্যারা কমান্ডো ট্রেনিং এর জন্য একটি স্পেশাল ক্যাম্পে পাঠানো হয় আর ভারতীয়দের এই প্যারা কমান্ডো ট্রেনিং সাধারণ ট্রেনিং এর তুলনায় পাঁচ গুণ বেশি কষ্টকর হয়ে থাকে আর এই সৈনিকদের কঠোর শারীরিক পরিশ্রমের মধ্য দিয়ে যেতে হয় এবং এই শারীরিক পরিশ্রম এতটাই কঠিন হয়েছে আমরা তা স্বপ্নেও ভাবতে পারবো না এই কঠোর পরিশ্রমের সময়ে অনেক সৈনিক হাল ছেড়ে দেয় আর তারা বাদ পড়ে যায় এই কঠোর পরিশ্রম সৈনিকদের শারীরিক এবং মানসিকভাবে শক্তিশালী করে তোলে আর তাদেরকে এইসব শাড়ি ট্রেনিং দেবার পর 36 ঘন্টা রেস্ট রেস্ট রেস্ট দেওয়া হয় আরে ট্রেনিং দেওয়া হয়ে থাকে রাত দুইটা হতে যখন সৈনিক রাত তিনটার সময় 4 ডিগ্রি তাপমাত্রায় ঘুমাতে থাকে তখন গান ফায়ার এবং বোম ব্লাস্ট এর শব্দ দিয়ে তাদেরকে কাঁচা ঘুম থেকে তোলা হয় তাদেরকে ঘুম থেকে তোলার পরে এক লাইনে দাঁড় করে দেয়া হয় আর ঘুম থেকে তোলার পরে যদি কোন সৈনিক শুয়ে পড়ে বা লুটিয়ে পড়ে অথবা লুকিয়ে কোন খাবার খেয়ে ফেলে তাহলে তাকে তৎক্ষণাৎ প্যারা-কমান্ডো থেকে বাদ দিয়ে দেওয়া হয় এরপরে সৈনিকদের 100 কিলোমিটার পর্যন্ত দৌড়াতে হয় আর এটি অনেক কঠিন হয়ে থাকে যাতে 30 কিলোমিটার
বাংলাদেশ VS ভারতের আর্মির ট্রেনিং! কে বেশি শক্তিশালী ?
পথ দুইবার এবং 10 কিলোমিটার পথ চারবার দৌড়াতে হয় আর এই 100 কিলোমিটার দৌড়াতে সৈনিকদের 16 থেকে 17 ঘণ্টা সময় লেগে যায় এরপর সৈনিকদের টানা 15 দিন জেগে থাকা ট্রেনিং দেওয়া হয় এবং এই ট্রেনিং শেষ করার পর পরের দিন সৈনিকদের তাদের বন্ধুদের ঘাড়ে নিয়ে তিন কিলোমিটার পথ পাড়ি দিতে হয় আসলে ভারতীয় প্যারা-কমান্ডো রা বিশ্বাস করে তারা যেকোনো পরিস্থিতিতে তাদের বন্ধুদের শত্রুদের এলাকায় ফিরে আসবে না এবং এর ট্রেনিং কি চলে 5 ঘন্টা ধরে এই ট্রেনিং কি শেষ করার পর তাদেরকে 11 কিলোমিটার পথ পাড়ি দিতে হয় যেখানে তাদের সাথে থাকে 30 কেজি ওজনের ভারি ভারি সব ব্যাংক এবং প্রত্যেক রাউন্ডে তার ওজন আরো বাড়িয়ে দেওয়া হয় এই ট্রেনিং এ প্রথম রাউন্ডে তাদেরকে 20 কেজি ওজনের একটি ব্যাগ দেওয়া হয় দ্বিতীয় রাউন্ডে তাদের ট্রাকের বিশাল একটি অ্যাড দেওয়া হয় তৃতীয় রাউন্ডে তাদেরকে গাছের বরাবর গুঁড়িয়ে দেওয়া হয় আর এইসব গাছের গুড়ি 40 থেকে 70 কেজি পর্যন্ত হয়ে থাকে প্রত্যেক রাউন্ড পার করার জন্য সৈনিকদের হাতে এক ঘণ্টার মতো সময় থাকে আর এইসব ট্রেনিং তারা 9 ঘণ্টা পর্যন্ত করতে থাকে আর তারা কোন রকম খাওয়া-দাওয়া ছাড়াই ট্রেনিং গুলো
বাংলাদেশ VS ভারতের আর্মির ট্রেনিং! কে বেশি শক্তিশালী ?
করে থাকে আর এ কারণেই তারা অনেক দুর্বল হয়ে পড়ে এরপর তাদের হাত-পা বেঁধে বারো মিটার গভীর পানিতে ফেলে দেওয়া হয় আর তার সাথে পানিতে আরেকজন ট্রেইনার থাকে ঝিনি সৈনিকদের বারবার পানির ভিতরে ঢুকিয়ে দেয় এ ট্রেনিংয়ে অনেক সৈনিক মারা যায় আর ভারতীয় এই ট্রেনিং এর মাধ্যমে আরও বেশি শক্তিশালী বানানো হয় আর এই ট্রেনিং শেষ করার পর তাদেরকে দুর্গন্ধযুক্ত ড্রেনের পানি পান করতে হয় আর এই ভাবেই তৈরি হয় ভারতীয় প্যারা-কমান্ডো সৈনিক বন্ধুরা আপনারা এতক্ষণ দেখলেন ভারতীয় কম্যান্ডো সৈনিকদের কিভাবে ট্রেনিং দেওয়া হয় আর এখন আপনারা দেখবেন কিভাবে বাংলাদেশি সৈনিকদের কমান্ডো ট্রেনিং দেওয়া হয় বন্ধুরা বাংলাদেশ আর্মি ট্রেনিং এর সর্বপ্রথম ড্রাইভিং ট্রেনিং দেওয়া হয় আমি কে নিয়ে ক্যানিং ক্যানিং সবচেয়ে বেশি ভয়ঙ্কর আর্মি ট্রেনিং ট্রেনিং কে সবচেয়ে বেশি ভয়ানক মানা হয় ভিডিওতে আপনারা দেখতেই পাচ্ছেন ড্রাইভিং ট্রেনিং কতটা ভয়ংকর সবচেয়ে বেশি শারীরিক কষ্ট দেয়া হয় এটা নিয়ে যাতে কোনো কারনে শত্রু হাতে ধরা পড়লেও অনেক চর্চার এরপরে ও নিজের নাম মিশন এবং ইউনিটের নাম নিজেদের পরিকল্পনা শত্রুদের কাছে 59 করে দেয় সেনারা যার জন্য
সেনাদের এই ভয়ঙ্কর ড্রাইভিং ট্রেনিং করানো হয় সোজা কথায় শত্রুদের হাতে ধরা পড়লেও শত্রু নির্যাতনের যেন মুখ না খোলা হয় এর জন্য এটি একটি করানো হয় তবে অনেক সময় দেখা যায় আমাদের দেশে এ ধরনের ট্রেনিং এর ভিডিও নিয়ে অপপ্রচার চালানো হয় সোশ্যাল মিডিয়াতে কিংবা ইউটিউবে আর্মিদের শাস্তি বলে আপলোড দেয়া হয় এই সকল অপপ্রচার দেখে সেনাবাহিনীতে যোগদানে ইচ্ছুক জওয়ানরা অনুপ্রেরণা হারিয়ে ফেলে যেটা জাতির জন্য কখনও কল্যাণ বয়ে আনবে না নাম্বার টু প্যারা কমান্ডো ট্রেনিং বাংলা সেনাদের আরেকটি ভয়ংকর ট্রেনিং হলো প্যারা কমান্ডো ট্রেনিং বুকে সাহস আর শক্তি না থাকলে এই ট্রেনিং করা অসম্ভব সন্ত্রাসী হামলা মোকাবেলায় প্লেন হাইজ্যাক এবং দেশের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের নিরাপত্তার জন্য এ প্যারা-কমান্ডো ইউনিট নিয়োজিত থাকে আর প্যারা কমান্ডোর ট্রেনিং এমনভাবে দেয়া হয় যে এদের মধ্যে কেউ কেউ ট্রেনিংরত আবস্থাতেই মারা যায় প্যারা কমান্ডো ট্রেনিং তিন থেকে ছয় মাস ধরে দেয়া হয় আর প্যারা কমান্ডো ট্রেনিং এ মাত্র 30 শতাংশ আমরা এস ট্রেনিং শেষ করতে পারে ট্রেনিং এর শুরুতে সৈনিকদের 30 কেজি ওজন নিয়ে 60 থেকে 70 কিলোমিটার পথ পাড়ি দিতে
হয় এরপর সৈনিকদের বন্দুক রাইফেল জ্ঞানের ইত্যাদি সঠিক ভাবে চালানো শেখানো হয় এসব ছাড়াও অনেক বাজে বাজে খাদ্য খাওয়ানো শেখানো হয় সৈনিকদের আর প্যারা কমান্ডো ট্রেনিং এর সবচেয়ে ভয়ঙ্কর মুহূর্ত হল চলন্ত বিমান থেকে মহাকাশ থেকে লাফ দেওয়ার সময় অনেক সৈনিক বলতে না পেরে মারাও যায় এটি করার সময় মৃত্যুকে খুব কাছ থেকে দেখে আসি সেনারা নাম্বার 3.3 আর্মিদের কাদার মধ্যে বসিয়ে দেয়া হয় এবং আর্মিদের কাদার মধ্যে ডিগবাজি দিয়ে সামনের দিকে অগ্রসর হতে হয় মূলত তাদের মধ্যেই টিকে থেকে যুদ্ধ চালিয়ে যাবার জন্য আর্মিদের ট্রেনিং দেওয়া হয় এই ট্রেনিং এর সময় অনেকে কাদা পানি খেয়ে ফেলে এই নোংরা কাদার মধ্যে এইভাবে ট্রেনিং করা কতটা কষ্টের তা আপনি বুঝতেই পারছেন এর সৈনিক ভাইদের দিকে তাকিয়ে হলেও ভিডিওটিতে একটি লাইক দিবেন নাম্বার ফোর ওয়াটার ট্রেনিং ট্রেনিং একটি সৈনিককে পানির মধ্যে হাত-পা বেঁধে পানিতে ফেলে দেওয়া হয় এবং এই হাত-পা বাঁধা অবস্থায় অনিককে প্রাণীর মধ্যে 30 মিনিট টিকে থাকতে হয় আপনারা অনেকে এই ট্রেনিং কে সহজ ভাবতে পারেন তাহলে একবার ভিডিওটি দেখুন আল্লাহ নাম্বার ফাইভ জগিং ট্রেনিং ট্রেনিং এর সেনাদের গায়ে
অনেক লতাপাতা বেঁধে দেওয়া হয় এবং সেনাদের 1000 বার করানো হয় এ ট্রেনিং করানোর সময় সেনাদের বুক পেট ব্যথা হয়ে যায় বন্ধুরা ভারতীয় কমান্ডো ট্রেনিং এবং বাংলাদেশ কমান্ডো ট্রেনিং এর মধ্যে কোন ট্রেনিং আপনার কাছে বেশি কঠিন মনে হয়েছে তা অবশ্যই কমেন্টে জানাবেন আর এমন ভিডিও পেতে এখনই সাইনসিটি কে সাবস্ক্রাইব করুন এবং পাশে আশা বেল বাটনে ক্লিক করুন
আল্লাহ হাফেজ

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button